সব কিছু
লক্ষ্মীপুর বৃহস্পতিবার , ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রোহিঙ্গা কারা? – Lakshmipur24

রোহিঙ্গা কারা?

রোহিঙ্গা কারা?

রোহিঙ্গা শব্দটি প্রাক-উপনিবেশিক কালে ‘রুইঙ্গা’ বা ‘রোয়াঙ্গিয়া’ হিসেবে উচ্চারিত হত, যার মানে ‘রোহাং এর বাসিন্দা’। আরাকানের পূর্ব নাম ‘রোহাং’ বা ‘রাখাঙ্গা’ বা ‘রোসাঙ্গা’ থেকে শব্দটি উদ্ভূত বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। আবার অনেকের ধারণা, আরবী ‘রহম’ শব্দ থেকে নামটি এসেছে, যা আরবী বনিকদের দেয়া নাম। ১৭৯৯ সালে লেখা ফ্রান্সিস বুকানানের প্রবন্ধেও রোহিঙ্গাদের কথা এবং রোহিঙ্গাদের ভাষা রুইঙ্গার (Rooinga) উল্লেখ আছে।

১৮১৫ সালে জোহান সেভেরিন ভাতেরও তার কম্পেন্ডিয়ামে রুইঙ্গাদের (Ruinga) নিজস্ব ভাষাসহ একটি বার্মিজ নৃগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ১৯৩৬ সালে ব্রিটিশ বার্মার আরাকানে ‘রোহিঙ্গা জামায়েতুল উলামা’ প্রতিষ্ঠিত হয়। অবশ্য ক্রিস্টিনা ফিঙ্কের মতো অনেকেই ভাবেন, রোহিঙ্গা আসলে জাতিগত পরিচয় না, বরং আরাকান/রাখাইনে একটি মুসলিম অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ১৯৫০ সাল থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দেয়া একটি রাজনৈতিক পরিচয়।

আরাকানের রোহিঙ্গাদের সলুক সন্ধানে

মায়ানমার (বার্মা) এর একটি অঙ্গরাজ্য আরাকান । এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত এবং অতি প্রাচীনকাল থেকে রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আরাকানের উত্তরে চীন ও ভারত, দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, উত্তর ও পশ্চিমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তবর্তী নাফ নদীর মধ্যসীমা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম।

পূর্বে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ইয়োমা পর্বতমালা। নাফ নদী আরাকান ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত রেখা হিসেবে কাজ করে। ব্রিটিশ শাসিত আরাকানের আয়তন ছিল ২০,০০০ বর্গ মাইল। ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা উত্তর পার্বত্য আরাকান বার্মার চিন প্রদেশে এবং দক্ষিণ আরাকানের কিছু অংশ লোয়ার বার্মার ইরাবতি প্রদেশের অন্তর্ভূক্ত করায় বর্তমানে এখানকার আয়তন ১৪,২০০ বর্গ মাইল। ১৯৯০ সালে বার্মিজ সামরিক জান্তা আরাকানের নাম বদলে ফেলে এবং এখন এলাকাটি রাখাইন নামে পরিচিত।

ঐতিহাসিকভাবে, এই আরাকান প্রথমে ছিল বাংলার চন্দ্র রাজবংশের অধীনে করদ রাজ্য এবং উজালি বা বৈশালি ছিল এই রাজ্যের রাজধানী। আরাকান রাজবংশসমূহে শুরু থেকেই ভারতীয় সংস্কৃতির প্রকট প্রভাব লক্ষণীয়। তবে খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতক থেকেই আরব্য বণিকেরা আরাকানে তাদের বাণিজ্য জাহাজ নোঙর করতে শুরু করে। আর ৭৮৮ সাল থেকে তারা বাণিজ্যের পাশাপাশি বসতি স্থাপন করে ইসলাম ধর্ম প্রচারও শুরু করে এখানে। তাই রোহিঙ্গা মুসলমানদের ইতিহাসের শুরুও এখান থেকেই।

মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান ও স্থানীয় আরাকানীদের সংমিশ্রণে রোহিঙ্গা জাতির উদ্ভব। পরবর্তীতে চাঁটগাইয়া, রাখাইন, আরাকানী, বার্মিজ, বাঙালী, ভারতীয়, মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষদের মিশ্রণে উদ্ভুত এই সংকর জাতি ত্রয়োদশ-চর্তুদশ শতাব্দীতে পূর্ণাঙ্গ জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

খ্রিস্টীয় দশম শতক থেকে মধ্য বার্মার লোকেরা আরাকানে যাতায়াত শুরু করে। রাখাইনরা ছিল বার্মার পিউ নগর রাষ্ট্রের একটি আদিবাসী। তারাই প্রথমে মধ্য বার্মা থেকে আরাকান পর্বতমালা অতিক্রম করে আরাকানে আসে এবং লেমরো নদীর উপত্যকায় বসতি গড়ে তোলে।

১৪০৪ সালে আরাকান শাসন করতেন রাজা নরমিখলা। ১৪০৬ সালে বার্মার রাজা মেংশো আই আরাকান দখল করলে নরমিখলা তৎকালীন বাংলার রাজধানী গৌড়ে এসে আশ্রয় নেন। তখন ইলিয়াস শাহীর রাজবংশ গৌড় থেকে বাংলা শাসন করতেন। গৌড়ের সুলতান জালালুদ্দীন শাহের সাহায্যে নরমিখলা ১৪৩০ সালে স্বীয় রাজ্য ফিরে পান। নরমিখলা ধর্মান্তরিত হয়ে মুহাম্মদ সোলায়মান শাহ নামধারণ করেছিলেন। সেই থেকে আরাকানের রাজারা বৌদ্ধ নামের পাশাপাশি একটি মুসলিম নামও ধারণ করতে শুরু করেন। ন

রমিখলা আরাকানের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়ে লঙ্গিয়েত থেকে ম্রোহং এ নিজ রাজধানী স্থানান্তর করেন এবং ম্রাউক-উ রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করে বাংলার করদ রাজা হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করতে থাকেন। ম্রাউক-উ রাজবংশের রাজাগণ ১৪৩০-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৩৫৫ বছরকাল আরাকানে রাজত্ব করেন।

তবে বাংলার সুলতান জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহর মৃত্যুর পর রাজা নরমিখলার পরবর্তী আরাকান রাজেরা ১৪৩৭ সালে রামু ও ১৪৫৯ সালে চট্টগ্রাম দখল করে নেয়। ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম আরাকানের দখলে ছিল। এ সময় পর্তুগিজ হার্মাদ (পর্তুগিজ ‘আর্মাডা’ শব্দের অপভ্রংশ) জলদস্যুদের সহায়তায় আরাকানের মগ দস্যুরা বাংলায় অবাধ লুণ্ঠন, অপহরণ ও নির্বিচারে ধর্ষণ চালাত।

সুলতান হুসেন শাহের রাজত্বকালে বঙ্গদেশে সর্বপ্রথম পর্তুগিজ হার্মাদ বণিকদের আবির্ভাব ঘটে। ক্রমে চট্টগ্রাম, সপ্তগ্রাম ও হুগলি এদের বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। এরা তখন বিচ্ছিন্নভাবে বাংলার নানা স্থানে ঘাঁটি বানিয়ে লুটপাট চালাত। ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগিজ অধিনায়ক মেলো বাণিজ্যের ছলে এসব স্থানে অত্যাচার শুরু করায় তাকে অনেকদিন গৌড়ে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। ১৫৮৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম এদের সম্পূর্ণ অধিকৃত হয়।

প্রথমে এদের সাথে আরাকান-রাজের যুদ্ধ সংঘটিত হলেও পরে মগ ও পর্তুগিজ দস্যুরা একত্রে মিলে যায়। সন্দ্বীপের মোগল-শাসনকর্তা এই দস্যুদের হাতে নিহত হওয়ার পর সেখানকার পরবর্তী মোগল-শাসক ফতে খাঁ হার্মাদদের চূড়ান্ত ধ্বংস করতে যুদ্ধজাহাজ নিয়ে অভিযান চালান। নৌযুদ্ধে পারদর্শী পর্তুগিজগণ তাকে সৈন্যসহ পরাস্ত করে নিহত করে। এদের দস্যুনেতা সিবাশ্চিয়ান গঞ্জালিস সন্দ্বীপ দখল করে সেখানকার মুসলমানদের নির্মূল করে।

এরপর গঞ্জালিস ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আরাকান অধিকারে ব্যর্থ হয়ে আরাকান-রাজের সঙ্গে মিলে ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত দখল করে নেয়। মোগলরা এক প্রকাণ্ড বাহিনী এনে এদের পরাস্ত করে। তারপর গঞ্জালিস গোয়ার পর্তুগিজ শাসকের অধীনতা স্বীকার করে ডন ফ্রান্সিস নামক সেনাপতিসহ একদল সৈন্য এনে আরাকানের প্রান্তভাগ লুন্ঠন করে। আরাকান-রাজ ওলন্দাজদের সাহায্যে পর্তুগিজদের সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দে সন্দ্বীপ দখল করে নেন।

১৬৫৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দিল্লির মোগল সম্রাট শাহজাহান মারা গেছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাংলার সুবাদার হিসেবে দায়িত্বরত শাহাজাদা সুজা রাজমহলে বসে নিজেকে সম্রাট বলে ঘোষণা করেন এবং রাজধানী দিল্লি অভিমুখে অগ্রসর হন। তবে বাহাদুরপুরের যুদ্ধে আরেক শাহাজাদা দারার হাতে পরাজিত হয়ে সুজা রাজমহলে ফিরে আসেন। কিন্তু আরেক শাহাজাদা আওরঙ্গজেব শাহাজাদা দারাকে পরাস্ত ও হত্যা করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। এরপর খাজোয়াতের (ফতেহপুর জেলা, উত্তর প্রদেশ, ভারত) যুদ্ধে আওরঙ্গজেব সুজাকেও পরাজিত করেন।

পরাস্ত শাহাজাদা সুজা এরপর বাংলা ত্যাগ করে আরাকানে আশ্রয় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং নিজ বাহিনীর অবশিষ্ট সেনাদের নিয়ে সপরিবারে আরাকানের রাজধানী ম্রোহং (ম্রৌকউ) পৌঁছান। আরাকানের রাজা ‘চন্দ্রসুধর্ম্মা’ সুজাকে সাদরে গ্রহণ করলেও পরে সুজার সম্পদ হস্তগত করে সুজার কন্যাদের জোরপূর্বক বিয়ের চেষ্টা করায় সুজার সঙ্গে রাজার বিরোধ বাঁধে। পরে সুজাকে তার পরিবার ও দলবলসহ নিপীড়ন করে হত্যা হয়। তবে সুজার সাথে আসা লোকেরা আরাকানেই বসতি গেড়েছিল।

১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খাঁ সেনাপতি হুসেনবেগের সহায়তায় আরাকান-রাজকে সম্পূর্ণ পরাজিত করে মোগলদের হৃত-ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেন। ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে তার সেনাপতি ওমেদ খাঁ ও হুসেনবেগ চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ দখল করে।

আরাকান-রাজের সৈন্যদলের মধ্যে অনেক মগ ও অবৈতনিক পর্তুগিজ সৈন্য ছিল। এরা বছরে বারো মাস লুণ্ঠন, অপহরণ ও অত্যাচার চালাত। শায়েস্তা খাঁর এই দুর্ধর্ষ অভিযানে চট্টগ্রাম থেকে পর্তুগিজ ও মগেরা অতি ক্ষিপ্রকারিতায় পালানোর (স্থানীয়ভাবে এই ঘটনা ‘মগ-ধাওনি’ নামে খ্যাত ছিল) সময় ১,২২৩টি কামান ফেলে যায়। এভাবে গোটা বাংলায় ‘মগের মুল্লুক’ এর অবসান ঘটে।

১৭৮৫ সালে বার্মিজ রাজা বোদাপায়া আরাকান দখল করলে ১৭৯৯ সালে প্রাণভয়ে প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ব্রিটিশ ভারতের অধীন চট্টগ্রামে আশ্রয় নেয়। ব্রিটিশরা পরে অ্যাংলো-বার্মিজ যুদ্ধে জয়ী হয়ে সমগ্র বার্মা দখল করে নেয় এবং শুরু থেকেই তারা রোহিঙ্গাদের পৃষ্ঠপোষক ছিল।

কৃষিকাজের জন্য আরাকানের কম জন-অধ্যুষিত এবং উর্বর উপত্যকায় আশপাশের এলাকা থেকে ভারতীয় ও বাঙালিদের অধিবাসীদের অভিবাসিত করেছিল ব্রিটিশরা এবং বাংলাকে আরাকান পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিল। আরাকান ও বাংলার মাঝে কোনো আন্তর্জাতিক সীমারেখা ছিল না এবং এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে যাওয়ার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধও ছিল না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রোহিঙ্গা মুসলমানদের সমর্থন অব্যহত রাখতে ব্রিটিশরা যুদ্ধের পর আরাকানকে আলাদা মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে বলে কথাও দেয়। এর ফলে ১৯৪২ সালে জাপানীদের চাপে ব্রিটিশরা বার্মা থেকে পিছু হটলে জাপান সমর্থক বৌদ্ধ রাখাইনরা আরাকানের ব্রিটিশ সমর্থক রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়ে তাদের দেশ ছাড়া করে (আরাকান ম্যাসাকার-১৯৪২)।

১৯৪০ সালেই রোহিঙ্গা মুসলমানেরা বৌদ্ধ অধ্যুষিত বার্মা ত্যাগ করে পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হবার চেষ্টা শুরু করে। ১৯৪৮ সালে রোহিঙ্গা নেতারা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর সাথে দেখা করে তাদের এই দাবী উত্থাপন করে এবং নর্থ আরাকান মুসলিম লিগ গঠন করে। কিন্তু বার্মিজ সমস্যায় নাক গলানো সমিচীন হবে না ভেবে জিন্নাহ এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন।

১৯৪৮ সালে বার্মা স্বাধীন হবার পর রোহিঙ্গাদের বার্মিজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মন্ত্রীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তারা নিয়োগ পায়। কিন্তু ১৯৬২ সালে সামরিক জান্তা সরকার গঠনের পর থেকেই রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ ও নিধনের নীলনকশা বাস্তবায়ন শুরু হয়।

কেন এই রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ?

প্রথমত, বার্মা স্বাধীন হবার আগেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশদের দেয়া স্বাধীন আরাকানের প্রতিশ্রুতি যা ব্রিটিশরা রাখতে পারেনি। এর কারণে বার্মিজ ও রোহিঙ্গাদের মাঝে অবিশ্বাস গড়ে ওঠে। উপরন্তু বার্মা স্বাধীন হবার আগেই পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হবার উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গা নেতাবৃন্দ কর্তৃক মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর কাছে তদবির করার ফলে বার্মিজদের আস্থাহীনতা আরো বাড়িয়ে দেয়।

দ্বিতীয়ত, থেরাভেদা বৌদ্ধ ধর্মের ধারক রাষ্ট্র হিসেবে বার্মা রোহিঙ্গাদের ধর্ম ইসলামকে বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি হুমকি হিসেবে ভাবতে শুরু করে। জান্তা সরকার এই বিষয়টি কাজে লাগিয়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের সহানুভূতি পাবার পাশাপাশি বৌদ্ধ উগ্রপন্থীদের উস্কে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সুযোগে রোহিঙ্গাদের বার্মা ছাড়া করার চেষ্টা করে।

তৃতীয়ত, আরাকান/রাখাইন স্টেটে চীন ও ভারতের ভূ-রাজনৈতিক আগ্রহের কারণে বিপুল বিনিয়োগ সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। এই সম্ভাবনাময় প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের পথে সেখানে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলমানদের লাভবান হবার যে সম্ভাবনা আছে তা নস্যাৎ করতেই বার্মা থেকে রোহিঙ্গাদের চিরতরে বিতারিত করতেই এই নজিরবিহীন নিধনযজ্ঞ।

যা-ই হোক, এই রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের মূল কারণ হলো জাতীয়তাবাদ উৎসারিত বর্ণবাদ।

 

Author

বাংলাদেশনিউজ আরও সংবাদ

‘ওয়ান ট্যাব ওয়ান টিচার’ কর্মসূচিতে সহায়তা করবে গুগল

স্থানীয় নির্বাচনেও অংশ নিতে পারছে না আ.লীগ

বিষাক্ত আগাছা পার্থেনিয়াম, ঝুঁকিতে মানুষ-ফসল-পশু

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা কারা?

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনকৃত নিউজপোর্টাল  
 All Rights Reserved : Lakshmipur24 ©2012-2026
Chief Mentor: Rafiqul Islam Montu, Editor & Publisher: Sana Ullah Sanu.
Muktijudda Market (3rd Floor), ChakBazar, Lakshmipur, Bangladesh.
Ph:+8801794 822222, WhatsApp , email: news@lakshmipur24.com