নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহেলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা ও মারধর করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে কলেজ ছাত্রীর মা বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলা দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য আসামিরা হলেন উপজেলার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন আরজু ও জাহাঙ্গীর আলম। আদালত সূত্র জানায়, সদর উপজেলার দালাল বাজারের মহাদেবপুর গ্রামের এক কলেজছাত্রীকে আসা-যাওয়ার পথে ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহেল সহযোগীদের নিয়ে খারাপ প্রস্তাব দেয়।

গত মঙ্গলবার বিকেলে ওই ছাত্রী কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মুখ চেপে বাগানে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা ও কামড়িয়ে আহত করা হয়। ছাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। এক পর্যায়ে সোহেলের সহযোগী ইসমাইল হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম সেখানে এসে ছাত্রীকে মারধর করে ভয়-ভীতি দেখানো হয়। পরে ছাত্রীকে সদর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করানো হয়। মামলার বাদী বলেন, থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ গড়িমসি করেছে। এজন্য বাধ্য হয়েই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলা দায়ের করেছি। এ ঘটনায় আমি সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি। বাদীর আইনজীবি তছলিম আলম বলেন, বাদীর অভিযোগ আদালত আমলে নিয়েছেন। বিষয়টি বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।
চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, একটি ওয়াকফ স্ট্রাস্টের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা এ মামলা করা হয়। এটি বানোয়াট ও সাজানো মামলা।



0Share