সব কিছু
facebook lakshmipur24.com
লক্ষ্মীপুর বৃহস্পতিবার , ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
লক্ষ্মীপুর-৪ | হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াত-জেএসডির মধ্যে

লক্ষ্মীপুর-৪ | হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াত-জেএসডির মধ্যে

লক্ষ্মীপুর-৪ | হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াত-জেএসডির মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর | মেঘনার উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুর। কৃষি ও মৎস্য সম্পদের জন্য এ জেলা সারাদেশে সুপরিচিত। কৃষি, মৎস্য সম্পদের পাশাপাশি এ জেলাবাসীর আয়ের প্রধান উৎস প্রবাসের কর্মসংস্থান। স্বাধীনতার পর থেকে শত চেষ্টা করেও জেলাবাসী উন্নত সড়ক অবকাঠামো, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, উচ্চ শিক্ষা এবং স্থানীয় ভাবে কলকারখানা স্থাপন করে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারেনি। 

এর মাঝে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কবলিত জনপদ হিসেবে লক্ষ্মীপুর সারাদেশে পরিচিতি পেয়েছে। এখন জেলার এমন কোন গ্রাম নেই যেখানে হাত বাড়ালেই মাদক মিলছে না।

তাই ভোটাররা সবসময়ই চায় যোগ্য ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি, যারা নির্বাচিত হলে দূর করতে পারবে মাদক ও সন্ত্রাস এবং উন্নয়ন আসবে জনপদে। কিন্ত সে জনপ্রতিনিধি এখনো পাওয়া যায়নি। তাই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে এখন সবার প্রত্যাশা।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে কতজন ?

লক্ষ্মীপুর জেলার চার আসনে ২৯ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাত্র ১৩জন বাকি ১৬জনকে প্রচারে দেখা যায়নি। এদের মধ্যে বিএনপি, জামায়াত, জেএসডি, ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপির ১১ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

 প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে কোন কোন প্রতীকে ? 

রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচন তুলনামূলকভাবে কঠিন। প্রতিটি আসনে জামায়াতের ভোট ও শক্তি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। তবুও অতীতের পরিসংখ্যান থেকে এখনো অনেকে মনে করছেন এবারও চারটি আসনেই বিএনপি জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। 

তবে চার আসনের মধ্যে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএনপি ও এনসিপি, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে বিএনপি ও জামায়াত, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াত এবং রক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপি, জামায়াত এবং জেএসডির মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। 

এর মধ্যে লক্ষ্মীপুর-২ এবং লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে স্মরণকালের সবচেয়ে তীব্র। 

আসনের বিবরণ:

লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রামগতি-কমলনগর আসন। জাতীয় সংসদে এর নাম লক্ষ্মীপুর-৪ এবং আসন নম্বর ২৭৭।

আয়তন ও জনসংখ্যা:

কমলনগর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, রামগতি উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত লক্ষ্মীপুর-৪ আসন।  জনসংখ্যা কমলনগর উপজেলায়  ২ লাখ ১৮ হাজার এবং রামগতি উপজেলাায় ২ লাখ ৮০ হাজারসহ মোট জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ । যার মধ্যে শিক্ষার হার প্রায় ৬৪.০৬%। এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি কিলোমিটারে ৮শ ৪৪ জন।

মানুষের  সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা:

লক্ষ্মীপুর জেলার সবচেয়ে অনুন্নত আসন এটি। সয়াবিন,  ধান এবং মেঘনা নদীর ওপর ভিত্তি করে এখানকার অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। এক সময়ে বেশির ভাগ এলাকায় নদী ভাঙ্গিন ছিল। শতভাগ বিদ্যুৎ রয়েছে। মাদক এখানকার তরুণদের জন্য প্রধান হুমকি। এখানকার হিন্দু মুসলিম সম্পর্ক দারুণ। এলাকায় কয়েকটি দর্শনীয় স্থান রয়েছে। 

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও কেন্দ্র

এ আসনের মোট ভোটার চার লাখ ১২ হাজার ১শ ৯৩ জন। এর মধ্যে দুই লাখ ১৩ হাজার ২শ ৯১ জন পুরুষ, এক লাখ ৯৯ হাজার ১ জন নারী। ভোট কেন্দ্র ১২২টি। 

বিগত নিরপেক্ষ নির্বাচনে রাজনৈতিক অবস্থান ? 

বাংলাদেশে বিগত সময়ে যতগুলো নির্বাচন হয় তার মধ্যে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা পূর্ণ নির্বাচন ছিল ৪টি। সে নির্বাচনগুলোতে বিএনপি, জামায়াত, আওয়ামীলীগ এবং জাতীয় পার্টি অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ১৯৯১ সালের নির্বাচন এবং নির্দলীয় সরকারের অধীন ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্ধিতা পূর্ণ নির্বাচন। এ নির্বাচনগুলো নিয়ে কারো দ্বিমত ছিল না। তাই বাংলাদেশের যে কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের সংখ্যা নির্ধারণে এখনো সেই নির্বাচনগুলোকেই ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।

তবুও ২০১১ সালে সাবেক আওয়ামীলীগ সরকার নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে। এরপর ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে যে নির্বাচন হয়, তা ছিল মূলত একদলীয় এবং কারচুপিপূর্ণ ও বির্তকিত ভোট।

অন্যদিকে ২০১৪ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহন করেনি। কিন্ত বিএনপি অংশ গ্রহন করলেও ২০১৮ সালের নির্বাচনটি বির্তকিত ভোট হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেলেও আওয়ামীলীগ দাবি করে তাদেরকে ৮০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছে।

তাই প্রতিদ্বন্ধিতা বোঝার জন্য ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৪টি নির্বাচনকে ভিত্তি ধরে তথ্য বিশ্লেষণ এবং আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাঠ দেখে লক্ষ্মীপুর জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভোট ব্যাংক চিত্র তুলে ধরা হলো।

১৯৯১-২০০৮ সাল পর্যন্ত বিএনপির ভোট কত ছিল ?

১৯৯১ সাল : ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির আবদুর রব চৌধুরী পায় ৩৩.০৯% ভোট।

১৯৯৬ সাল : ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির আবদুর রব চৌধুরী পায় ৩৬.৫৯% ভোট।

২০০১ সাল : ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির আশরাফ উদ্দিন নিজান পায় ৩৫.৬৫% ভোট।

২০০৮ সাল : ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির আশরাফ উদ্দিন নিজান পায় ৩৮.১৩% ভোট।

১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের এ ৪টি নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রাপ্ত ভোটের গড় ছিল ৩৫.৮৭ % ।

১৯৯১-২০০৮ সাল পর্যন্ত জামায়াতের ভোট কত ছিল ?

১৯৯১ সাল : দাড়িঁপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের রিদওয়ান উল্লাহ সাইদী পায় ১৬.৪৮ % ভোট।

১৯৯৬ সাল : প্রার্থী ছিল না।

২০০১ সাল : প্রার্থী ছিল না।

২০০৮ সাল : প্রার্থী ছিল না।

১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এ আসনে জামায়াত মাত্র একবার সরাসরি নিজেদের প্রার্থী দিয়ে ভোট করে ১৯৯১ সালে। সে ভোটে ১৬.৪৮ % ভোট জামায়াত। 

১৯৯১-২০০৮ সাল পর্যন্ত জেএসডি/জাসদ ভোট কত ছিল ?

১৯৯১ সাল: জেএসডির আ স ম আবদুর রব পায় ৩২.৭৬% ভোট।

১৯৯৬ সাল: জেএসডির আ স ম আবদুর রব পায় ৩৮.৯৪% ভোট।

২০০১ সাল: জেএসডির আ স ম আবদুর রব পায় ৩৩.৬৯% ভোট।

২০০৮ সাল: জেএসডির আ স ম আবদুর রব পায় ১২.১৮% ভোট।

১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের এ ৪টি নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে আওয়ামীলীগের প্রাপ্ত ভোটের গড় ছিল ২৯.৩৯%।  

১৯৯১-২০০৮ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগের ভোট কত ছিল ?

১৯৯১ সাল:নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগের মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম পায় ১৪.১৫% ভোট।

১৯৯৬ সাল: নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগের মোহাম্মদ অধ্যক্ষ আবদুল ওয়াহেদ পায় ১৪.০৬% ভোট।

২০০১ সাল: নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগের আবদুর রব চৌধুরী পায় ২৯.৮২% ভোট।

২০০৮ সাল: নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগের আবদুর রব চৌধুরী পায় ৩২.৫০% ভোট।

১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের এ ৪টি নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে আওয়ামীলীগের প্রাপ্ত ভোটের গড় ছিল ২২.৬৩%।  

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের ভোট কত ?

২০০৮ সাল: হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ পায় ০.৮৪% ভোট।

বিগত ৪টি নির্বাচনের তথ্যানুসারে জানা দেখা গেছে বিগত ৪টি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির গড় ভোটের পরিমাণ ৩৫.৮৭%, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভোট ১৬.৪৮%, আওয়ামীলীগের গড় ভোট ২২.৬৩% এবং ইসলামী আন্দোলনের ০.৮৪% ভোট।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কোন দলের অবস্থান কেমন?

রামগতি ও কমলনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত লক্ষ্মীপুর-৪ সংসদীয় আসন বরাবরই ‘হেভিওয়েট’ হিসেবে পরিচিত। একসময় বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসন স্বাধীনতার পর থেকে সরকার গঠনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। অতীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাবেক মন্ত্রী ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব:) আব্দুল মান্নান, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানসহ একাধিক প্রভাবশালী রাজনীতিক এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের মতো এবারো কমলনগর উপজেলার ভোটাররা জয়-পরাজয়ের ক্ষেত্রে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। কারণ অতীতের বেশির ভাগ এমপির বাড়ি রামগতিতে হওয়ায় কমলনগরের ভোট বরাবরই নির্ধারক ভূমিকা পালন করেছে।

কৃষি সমৃদ্ধ এ দুই উপজেলার প্রধান সমস্যা মেঘনা নদীর ভাঙন। ফলে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তাদের ইশতেহারে নদী ভাঙন কবলিত মানুষের একমাত্র চাওয়া নদী বাঁধের প্রকল্পকে গুরুত্ব দেয়। 

এ অঞ্চলে বিএনপি, জামায়াত ইসলামী, আসম রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ও ইসলামী আন্দোলনের সমর্থক রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত বিএনপির সমর্থকই বেশি। এবারের নির্বাচনে এ আসনে প্রধান লড়াই হবে ত্রিমুখী। 

ধানের শীষের প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজানের সাথে জাসদের তানিয়া রব এবং জামায়াত ইসলামীর হাফিজ উল্যার লড়াই হবে। তবে ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহর বিপুল জন সমর্থন রয়েছে। ছাড়াও এই আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মই প্রতীকে মিলন কৃষ্ণ মন্ডল প্রার্থী রয়েছেন। 

তবে ইতোমধ্যে ট্রাক প্রতীকে মো. রেদোয়ান উল্লাহ, স্বতন্ত্র কাপ-পিরিচ প্রতীকে শরাফ উদ্দিন আজাদ, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে আ ন ম মনজুর মোর্শেদ, স্বতন্ত্র মোটর সাইকেল প্রতীকে নুরুল হুদা চৌধুরী ধানের শীষের প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজানকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন চারজন, বিএনপির প্রার্থী সাবেক দুইবারের এমপি এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ (হাতপাখা) এবং জেএসডির প্রার্থী তানিয়া রব (তারা)। 

প্রচার শুরুর পর থেকেই প্রার্থীদের নজর এখন আওয়ামী লীগের সমর্থক ভোটারদের দিকেও। প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের তৎপরতা কম থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ের ভোটারদের সমর্থন পেতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। বিশেষ করে বিএনপির নিজান ও জেএসডির তানিয়া রব আওয়ামী সমর্থকদের ভোট টানতে সক্রিয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে জোট না থাকায় ইসলামী ভোট বিভক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে কমলনগরে জামায়াতের শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে বলে দাবি করছেন দলটির নেতারা। অপরদিকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন ভোটারদের মতে, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও আগের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিএনপির জন্য ইতিবাচক দিক। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্লাহ কেন্দ্রভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

সংসদ নির্বাচন আরও সংবাদ

লক্ষ্মীপুর-৩ | ঐতিহ্য বনাম উত্থান: আসনে বিএনপি–জামায়াতের স্মরণকালের কঠিন লড়াই

লক্ষ্মীপুর-২ | ঐতিহাসিক ভোটব্যাংক বিএনপির, জামায়াতের শক্তি বেড়েছে বহুগুন

উপকূলে চায়ের আড্ডায় জমে উঠেছে ভোটের আলাপ

লক্ষ্মীপুর-১ | অতীতের হিসাব আর বর্তমান মাঠে এগিয়ে ধানের শীষ

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী

লক্ষ্মীপুর কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ১৮জন বন্দি

Lakshmipur24 | লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধিত নিউজপোর্টাল  
 All Rights Reserved : Lakshmipur24 ©2012- 2026
Editor & Publisher: Sana Ullah Sanu
Muktizudda Market (3rd Floor), ChakBazar, Lakshmipur, Bangladesh.
Ph:+8801794822222, WhatsApp , email: news@lakshmipur24.com