সব কিছু
facebook lakshmipur24.com
লক্ষ্মীপুর মঙ্গলবার , ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব মিডিয়ায় নোয়াখালীর “ঠেঙ্গারচর”

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব মিডিয়ায় নোয়াখালীর “ঠেঙ্গারচর”

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব মিডিয়ায় নোয়াখালীর “ঠেঙ্গারচর”

নিজস্ব প্রতিবেদক: এবার রোহিঙ্গা ইস্যুতে গত ২ সপ্তাহ ধরে বিশ্ব মিডিয়া নোয়াখালীর নাম বার বার ফলাও করে প্রচার হচ্ছে। বিশেষ করে গত সপ্তাহে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম যখন জানিয়েছেন যে ‘মানবিক কারণেই’ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে সরানো হচ্ছে এর পর থেকে বিশ্ব মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে নোয়াখালীর নাম উচ্চারিত হতে থাকে। আল জাজিরা, বিবিসি, সিএসনএন, গার্ডিয়ান, নিউজএশিয়া, ফক্স নোয়াখালী কে সংবাদ শিরোনাম করে।  তবে এ শিরোনামে পজেটিভ ও নেগেটিভ সংবাদ রয়েছে। রয়েছে মানবিক সংবাদও। সর্বশেষ শুক্রবার সংবাদ সংস্থা রয়র্টাস “রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে ঠেঙ্গারচর ঝুঁকিপূর্ণ”  শিরোনামে  সরজমিন সংবাদ করে। রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে ঠেঙ্গারচরে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনাকে বাস্তবসম্মত নয় বলে সমালোচনা করা হয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে। সংবাদের সাথে ঠেঙ্গারচরের বেশ কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করা হয়।

রয়র্টাসের প্রতিবেদন হতে জানা যায়, বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত সন্দ্বীপ উপজেলার সবচেয়ে কাছাকাছি বসতি থেকে হাতিয়ার ঠেঙ্গারচর নৌপথে দুই ঘণ্টা দূরত্বে অবস্থিত। সন্দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে ১১ বছর আগে জেগে ওঠে ঠেঙ্গারচর। সেখানে কোনো ঘর নেই, মুঠোফোন নেটওয়ার্ক নেই, লোকজনও নেই। বর্ষা মৌসুমে জায়গাটি বেশির ভাগ সময় বন্যার পানিতে ভেসে যায়। যখন সাগর শান্ত থাকে, তখন জলদস্যুরা জেলেদের অপহরণের খোঁজে থাকে। ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে মুক্তি পায় ওই জেলেরা। হাতিয়ার ঠেঙ্গারচর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। জায়গাটি ঘূর্ণিঝড় ও বন্যাপ্রবণ। বর্ষা মৌসুমে দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় সেখানে দ্বিগুণ পরিমাণ বৃষ্টি হয়ে থাকে। জনশূন্য এলাকাটি কর্দমাক্ত। এ ছাড়া জলদস্যুদের উৎপাত তো রয়েছেই।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কামরুল হাসান বলেছেন, এই এলাকাগুলো ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা প্রবণ। বঙ্গোপসাগরের এই দ্বীপগুলো বসবাসের জন্য ছিল বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সেখানে বর্ষা মৌসুমে দ্বিগুণ পরিমাণ বৃষ্টি হয়।

মানবিক সংকটের সাময়িক সমাধান হিসেবে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমকে ঠেঙ্গারচরে আশ্রয় দেওয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা আর মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায় না। তবে তারা ঠেঙ্গারচরে যেতেও ইচ্ছুক নয়।

এর আগে ২০১৫ সালে মানবশূন্য ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার প্রথম প্রস্তাব ওঠে। সেই সময়ই তা মানবাধিকারকর্মীদের তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে। বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞরা এই প্রস্তাবকে অবাস্তব বলে মন্তব্য করেন।

স্থানীয় একজন সাংবাদিকের বক্তব্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়ের সময়গুলোতে এই সব দ্বীপের লোকজনকে নিয়মিত উপকূলের কাছে নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়। তাঁর মতে, এখানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনাটি বাস্তবসম্মত ছিল না। ওই সাংবাদিক আরও বলেন, এই এলাকায় এ রকম আরও দ্বীপ রয়েছে। সেগুলোর উন্নয়নে ৪০ বছর সময় লেগেছে। তাও এখন পর্যন্ত তা মৌলিক পর্যায়েই রয়ে গেছে।

#THENGARCHAR

 

লক্ষ্মীপুর নিউজ আরও সংবাদ

কমলনগরে বৈশাখ মাসজুড়ে ভূমি অফিসের ব্যতিক্রমী হালখাতা উৎসব শুরু

রামগতিতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন

উপকূলের ৯৬ প্রাথমিক স্কুলে `মিড ডে মিল’ চালু, উপকৃত হচ্ছে ১৭ হাজার শিক্ষার্থী

রায়পুরে ৪৬ বছর পর মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিদায়, মুসল্লিদের আবেগঘন আয়োজন

কমলনগরে গর্ব সম্মাননায় শিক্ষার্থী সংবর্ধণা ও হুইল চেয়ার বিতরণ

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোরের সংবাদ প্রচারের পর দোকান সীলগালা করলো প্রশাসন

Lakshmipur24 | লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধিত নিউজপোর্টাল  
 All Rights Reserved : Lakshmipur24 ©2012- 2026
Editor & Publisher: Sana Ullah Sanu
Muktizudda Market (3rd Floor), ChakBazar, Lakshmipur, Bangladesh.
Ph:+8801794822222, WhatsApp , email: news@lakshmipur24.com