সব কিছু
facebook lakshmipur24.com
লক্ষ্মীপুর শনিবার , ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি

পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি

পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি

পহেলা বৈশাখ  প্রতিটি বাঙালির কাছে এক  অনন্য অনুভূতি, আবেগ। নতুন বছরকে স্বাগত জানানো আর পুরাতনকে বিদায়ের এই সন্ধিক্ষণ আসলেই অর্থবহ। এদিন সবাই বাড়িঘর পরিষ্কার রাখে। ব্যবহার্য জিনিসপত্র ধোয়ামোছা করে, বাড়িঘর সুন্দর করে সাজায়।

পান্তা ভাত-ইলিশ কিভাবে পহেলা বৈশাখের ট্রেন্ডে পরিণত হলো? পহেলা বৈশাখের ইতিহাস কী ? পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে হালখাতা কী সমানভাবে জনপ্রিয়? ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা পহেলা বৈশাখ কিভাবে পালন করেন? আসুন জেনে নিই বিস্তারিত উত্তর।

  • ১৫২৬ সাল, পানিপথের প্রথম যুদ্ধ। সম্রাট বাবরের হাত ধরে ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করা হতো। কিন্তু হিজরি সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। এতে অসময়ে কৃষকদেরকে খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করতে হত। খাজনা আদায়ের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তিনি মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জিতে সংস্কার আনার আদেশ দেন।
  • বৈশাখী মেলা : 

    বৈশাখ মাস মানেই মেলা। গ্রাম থেকে শহরে সব জায়গাতেই বৈশাখী মেলা বসে। তবে পার্থক্য থাকে গ্রামের আর শহুরে মেলার। বিভিন্ন জেলায় হয় শত বছরের পুরোনো মেলা। বাঁশ-বেতের তৈজস আর নানা জাতের খেলার সামগ্রী।  নারকেল মুড়কিসহ আরো কত কী থাকে এসব মেলায়, তার ইয়ত্তা নেই। মেলার সময়ে নৌকাবাইচ, লাঠিখেলা, কুস্তির আসর বসে।

    হালখাতা 

    হালখাতা প্রাচীন বর্ষবরণের একটা রীতি। আগের দিনের কৃষকেরা চাষাবাদ বাবদ চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সব খাজনা ও শুল্ক পরিশোধ করে দিত। এরপর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ ভূমির মালিকরা তাদের প্রজাসাধারণের জন্য মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করতেন।  যা পরবর্তীতে ব্যবসায়িক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে পড়ে। দোকানিরা সারা বছরের বাকির খাতা সমাপ্ত করার জন্য পহেলা বৈশাখের দিনে নতুন সাজে দোকান সাজায়। গ্রাহকদের মিষ্টিমুখ করিয়ে শুরু করেন নতুন বছরের ব্যবসার সূচনা। 

  • পান্তা-ইলিশ 

    • পহেলা বৈশাখে বর্তমানে পান্তা-ইলিশ খাওয়া হলেও, আগে এর প্রচলন ছিল না। এইদিন ভালো খাবার খাওয়ার চল ছিল। যার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত ছিল মাছ, মাংস, পোলাও।
    • ধারণা করা হয়, পহেলা বৈশাখ বা বছরের প্রথম দিনে যদি ভালো খাবার খাওয়া হয়। এখনকার পহেলা বৈশাখ পান্তাবাঙালি সংস্কৃতিতে পান্তা দারিদ্র্যের প্রতীক। 
    • পান্তা একটি কর্পোরেট ধারণা এবং পহেলা বৈশাখে এটি আসে ২০০০ সালের পর। পান্তা ভাতের সাথে গরম কিছু হলে খেতে ভাল লাগে, এ চিন্তা থেকে ইলিশ পহেলা বৈশাখে যুক্ত হয়। এটি আসলে একটি সংযোজন। কিন্তু মূল বিষয়টি হলো পান্তা ভাত। বাঙালির ঐতিহ্য পান্তা নয়, এখনো গ্রামে পহেলা বৈশাখে যদি আমরা খোঁজ করি, গ্রামের মানুষ ওই দিন পান্তা খায় না, ওই দিন তারা ভাল খায়।

সাহিত্য | সংস্কৃতি আরও সংবাদ

পহেলা বৈশাখ এলেই বাড়তি খাজনা ভাড়ার আতংকে থাকে দোকানদার ভাড়াটিয়ারা

পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি

ঈদে আলাউদ্দিন সাজু’র নাটক “আত্মগোপন”

বই হোক আপনার আমৃত্যু সঙ্গী : লক্ষ্মীপুরে ড. জিয়াউদ্দীন

২১ ফেব্রুয়ারি | যেভাবে হলো শহীদ দিবস থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

লক্ষ্মীপুরের তরুণ লেখক রাসেলের ‘কাছের মানুষ, কাঁচের মানুষ’ আসছে বইমেলায়

Lakshmipur24 | লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধিত নিউজপোর্টাল  
 All Rights Reserved : Lakshmipur24 ©2012- 2025
Editor & Publisher: Sana Ullah Sanu
Muktizudda Market (3rd Floor), ChakBazar, Lakshmipur, Bangladesh.
Ph:+8801794822222, WhatsApp , email: news@lakshmipur24.com