সম্পদ আর সম্মান এক সাথে চলে না, আজ দেখা যাচ্ছে যত বেশি শিক্ষিত তত বেশি দুর্নীতিবাজ, শিক্ষক বলেন চাকরিজীবী বলেন কেউ এর বাহিরে নয়, বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির শীর্ষে, যেখানে যাবেন সেখানেই দুর্নীতি। এক সময় মানুষ ভয়ে সমাজের খারাপ কাজগুলো বাধা দিত না এখন বাধা দিতে অসুবিধা নেই। ভয় পেলে চলবে না মানুষ বারবার মরে না মানুষ একবার মরে। হকের কথা বলতে হবে ইনসাফের কথা বলতে হবে, এই যে আজকে রাস্তায় যানজটে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটেছে রাষ্ট্র দায় এড়াতে পারে না রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে।সৎ সাহস থাকলে এভাবেই বলতে পারি আমার নেতা তো আমাকে বাধা দিচ্ছে না।
সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন ঘুষ চলবে না সাবধান হয়ে যান। যারা দেশকে ভালোবাসে দেশের মানুষকে ভালবাসে তারা দুর্নীতি করতে পারে না।
জামায়াত সৎ মানুষের রাজনীতি করে আমিও ন্যায় ইনসাফের রাজনীতি করি ২০০৫ সালে জামায়াত সেক্রেটারি মন্ত্রী আলী আহসান মুজাহিদ আমাকে বলেছিলেন আপনি তো ভালো মানুষ আপনি রোকনে জামায়াত হয়ে যান আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন। জামায়াত আমীর কে বলেছিলাম আমার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়া হলো কেন।
কথাগুলো লক্ষ্মীপুর -৪ (রামগতি ও কমলনগর) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি গত সোমবার বিকেলে রামগতি উপজেলা পরিষদ হলরুমে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন এবং এসএসসি ও সমমান এবং প্রাথমিকের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতা রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দীনের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাহেদ আলী পটু, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুর রহিম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামগতি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সাংবাদিক, শিক্ষক, কৃতি শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষক শিক্ষার্থী ও উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, আমরা পড়ালেখা করেছি আমাদের পরিবার খরচ দিয়েছে যা তার তিনগুণ খরচ দিয়েছে রাষ্ট্র অতএব রাষ্ট্রের নিকট আমাদের দায় আছে। আপনাদের এতো লাগবে কেন কই লেন্সন ম্যান্ডেলার তো এতো লাগেনি, মাদার তেরেসার তো এত লাগেনি। আমাদের রামগতিতেও সৎ ও গুণী মানুষ ছিলেন তাঁরা হলেন আ স ম আবদুর রব, সিএসপি আব্দুর রব চৌধুরী, মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ জমির আলী, কমরেড তোয়াহা, আব্দুল মালেক (ডিসি মালেক)।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন মেজাজ দেখাবেন না, মেজাজ থাকলে ঢাকায় থাকেন অথবা বাড়িতে থাকেন মানুষের গায়ে হাত দিবেন না ক্ষমতা কারো জমিদারি নয়।
এ সময় তিনি বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারকে সময় দিতে হবে জনগণ ভোট দিয়েছে পাঁচ বছরের জন্য এখন আমাদের ভুলগুলো নোট রাখতে পারেন। সরকারের শেষ বছর ভুলগুলো নিয়ে মাঠে সোচ্চার থাকবেন, জনগণ যদি বুঝে আপনারা ক্ষমতায় আসবেন। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় আজ আমরা কালকে হয়তো আপনি।
বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ, আপনারা কি পরাধীন থাকতে চান, তাহলে নজরুলের মত দেশ প্রেমিক হতে হবে। একটি দল হিন্দুদের জায়গা দখল করে আবার দাবি করে আমরা হিন্দুদের নেতা কিন্তু হিন্দু ভাইয়েরা এখন বুঝে গেছে এটি আর কাজে আসবে না।



0Share