নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের গৌরিনগরে ডাব বিক্রেতা আরমান হোসেনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন, গৌরিনগর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মো. আরিফ হোসেন (৩৮) ও মোশারফ ভূঁইয়ার ছেলে মো. মাহফুজ (২২)।
এরই মধ্যে প্রধান আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দ্বিতীয় আসামি মাহফুজ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। তবে মামলার বাদি ডাব ব্যবসায়ী রাকিবুল হাসানের অভিযোগ, মাহফুজকে মামলার আসামি করায় সে বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হুমকি দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাদি রাকিবুল হাসান এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। রাকিব সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মকড়ধ্বজ গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।
রাকিব জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডাব সংগ্রহ করে পাইকারী বিক্রি করেন৷ আরমান তার কর্মচারী। অভিযুক্ত আরিফ হোসেনের কাছ থেকে পূর্ব থেকে সে ডাব ক্রয় করে আসছে। ব্যবসায়ীক লেনদেন থাকায় তিনি আরিফের কাছ থেকে এক হাজার টাকা পাওনা ছিলেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে আরমান ডাব কিনতে আরিফের বাড়িতে যান। আরিফ ডাব বিক্রি করতে আপারগতা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে আরিফ একটি ধারালো দা দিয়ে আরমানকে উপর্যুপুরি আঘাত করেন। এসে আরমান গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকার হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার অবস্থা একেবারেই গুরুতর।
রাকিব বলেন, আসামি আরিফ ও মাহফুজ একই এলাকার। আরমানের উপর হামলাটি মাহফুজের ইন্ধনেই হয়েছে। কারণ বিগত সময়ে মাহফুজ আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় সে আমার উপর ক্ষিপ্ত ছিল এবং আমাকে ব্যবসা করতে দিবে না বলে হুমকি দেয়। এ কারণেই আমার কর্মচারীর উপর হামলা হয়েছে। হামলার ঘটনায় আমি মামলা করায় মাহফুজ বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে হুমকি দিচ্ছে। আমার ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আমি আমার জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনির হোসেন বলেন, মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকী আসামির বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।



0Share