এমআর সুমন, রায়পুর | দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে বিদেশে দেশীয় মাছ রপ্তানির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এজন্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং তা সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু।
শনিবার, ৪ এপ্রিল, বিকেলে মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলেদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে—রায়পুর সরকারি মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এ মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম হ্যাচারি হিসেবে পরিচিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকার নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের পোনা উৎপাদন এবং জেলেদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। এতে দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হওয়ার পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশি মাছের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।”
তিনি আরও বলেন, “রায়পুর সরকারি মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীর শূন্য পদসহ নানা সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান করে এটিকে আবারও এশিয়ার বৃহত্তম হ্যাচারিতে রূপ দেওয়া হবে।”
এ সময় তিনি হ্যাচারির সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করে ঘুরে দেখেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় এমপি আবুল খায়ের ভুইয়াসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



0Share