সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় যুক্ত হলো আরেক অলংকার। এর নাম মেরিন মিউজিয়াম বা সামুদ্রিক জাদুঘর। বেসরকারি পর্যায়ে এটাই খুব সম্ভবত প্রথম উদ্যোগ- যেখানে একই ছাদের নিচে থাকছে সমুদ্রসহ গোটা উপকূল।
সাধারণের জন্য শুধু তথ্য-উপাত্ত, ছবি, অ্যাকুরিয়াম নয়; যারা মেরিন বিষয়ে পড়াশুনা করছেন বা করতে চান, তাদের জন্যও থাকছে নানান আয়োজন।
কাঁচে মোড়ানো একখন্ড রাখাইন গ্রাম, একখন্ড সুন্দরবন কিংবা এমন অনেক কিছু থাকছে। উপকূলে কত ধরণের জালের ব্যবহার হয়, কত ধরণের নৌকো দেখা যায়; সব একসঙ্গে থাকছে মেরিন মিউজিয়ামে।
কুয়াকাটার মূল পয়েন্ট থেকে খানিক দূরে- মিশ্রিপাড়া-বঙ্গবন্ধু সড়ক দিয়ে গেলে নবীপুর থ্রিপয়েন্টে এই মিউজিয়ামের অবস্থান।
কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের জন্য নি:সন্দেহে এ মিউজিয়াম বাড়তি কিছু যোগ করবে।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা হচ্ছে মিউজিয়ামের।
হ্যাঁ, একটা কথা বলা হয়নি! মেরিন মিউজিয়ামের এই পোকাটা ঘুরছিল কার মাথায়?
কুয়াকাটায় ওই যে ইলিশ পার্কটা আছে- যেখানে দৃশ্যমান ৭২ ফুট লম্বার ইলিশ। এটা আবার ইলিশ ক্যাফে। ইলিশের পেটের ভেতরে বসেই খাওয়া যায়। ইলিশ পার্ক-এর মত ব্যতিক্রমী চিন্তাটা যার মাথা থেকে এসেছিল- এবার মেরিন মিউজিয়ামের আইডিয়াটাও তারই। নাম তার রুমান ইমতিয়াজ তুষার।
লক্ষ্মীপুরসহ পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে কুয়াকাটা মেরিন মিউজিয়াম যেতে চাইলে লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোরের ফেসবুক পেইজে ইনবক্স করতে পারেন।



0Share