আবদুর রহমান বিশ্বাস: ‘‘ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্থ হলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তা তারেক রহমান বুঝেন বলেই ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে এত কিছুর পরেও ইসলামী ব্যাংকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ৫ আগষ্টের পর গ্রাহকরা আবার ব্যাংকটিকে টাকা দিয়ে চালু করেছে। মনে রাখতে ইসলামী ব্যাংক পড়ে যাওয়া মানে আগামীতে বাংলাদেশে আরো ২০টি প্রাইভেট ব্যাংক পড়ে যাবে”
এসব মন্তব্য করেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে ইসলামী ব্যাংক লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট শাখা আয়োজিত এক গ্রাহক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হুইপ বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মানুষ যদি একটি ব্যাংক ভালো ভাবে পরিচালনা করতে পারে, তবে আমরা যারা অন্য দল করে তাদের তো ঘৃণা করার কিছু নেই। সে ভালো করছে তাকে সাহস দিতে হবে। কিন্ত এস আলম ইসলামী ব্যাংক ডাকাতি করে নিয়ে গেছে”
এস আলম দিনে দুপুরে ইসলামী ব্যাংকসহ ৭টি ব্যাংক নিয়ে গেছে। মানুষদের কে শেষ করে দিয়েছে। এস আলম ৪ , ৫ হাজার লোকের চাকুরি দিয়েছে, তাদের অনেকের সার্টিফিকেটও নেই।
‘কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গতি আগামীর বাংলাদেশ” এই স্লোগানে ইসলামী ব্যাংক হাজিরহাট শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন হাজিরহাট শাখার প্রধান মোহাম্মদ মাছুম হোসেন।
নোয়াখালী জোন প্রধান এবং ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ যায়েদ হোসেন ফারুকী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত উজ জামান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ভিজিএম ডক্টর নুরুল ইসলাম। কমলনগর উপজেলা বিএনপি সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী এবং কমলনগর উপজেলা বাংলাদেশ ইসলামীর আমীর আবুল খায়ের এবং কমলনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইউছুপ আলী মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজ প্রমুখ।
এসময় ব্যাংকের কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।



0Share